রাকিব রিফাত, ইবি:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করা, সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, গুপ্ত সংগঠন কর্তৃক মব সৃষ্টির অপচেষ্টা, জিয়াউর রহমানের ছবি অবমাননা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবন চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এসময় একই দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ইউনিভার্সিটি টিচচার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ও জিয়া পরিষদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু দাউদ, আহসান হাবীব, আনারুল ইসলাম, সদস্য রাফিজ আহমেদ, নূর উদ্দিন, তরীকুল ইসলাম সৌরভ, রোকনুজ্জামান, সাক্ষর, মেহেদী, তৌহিদ, তৌফিক, সাবিক, সাইফুল্লাহ , রিয়াজ, আশরাফুল, শাহরিয়ার ও বাপ্পী প্রমুখ।

এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, পতিত হাসিনা সরকার দিল্লি পালিয়ে আছে। এদিকে ৭১ এর মানবতাবিরোধী শক্তি এবং ২৪ এর মানবতাবিরোধী শক্তি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসীদের শক্তির প্রধান হচ্ছে আমাদের নেতা তারেক রহমান। কিন্তু তারেক রহমানের নিয়ে একটি চক্র ও পাকিস্তানী গোষ্ঠী কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করছে। আমি দেখলাম একটি জারজ সন্তান হাসতে হাসতে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে নিয়ে গালমন্দ করছে। তারেক রহমান শিশুকালে তার পিতাকে হারিয়েছেন। যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। বিগত সময়ে সেনাবাহিনী তাকে নির্যাতন নিষ্পেষণ করেছিল। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ দুই বছর কারাবাসে ছিলেন। খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান নির্যাতিত এবং মজলুম মানুষ।

তিনি আরো বলেন, কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি সেই পাকিস্তানি শক্তি ৭১-এর মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পরাজিত শক্তি সেই জামাতের নেতারা বলছে আমরা এই ষড়যন্ত্রে স্বাধীনতা চাইনি। অর্থাৎ তারা এই বাংলাদেশকে এখনো ধারণ করে না। বিএনপি ও ছাত্রদলের মতো দল যারা আমরা বাংলাদেশ গ্রহণ করি। আমাদের ঠিকানা বাংলাদেশ। আমাদের এই বাংলাদেশের বাইরে কোন ঠিকানা নেই। তোমাদের ঠিকানা আছে পাকিস্তান। তোমাদের ঠিকানা আছে দিল্লি।